বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
ভাইয়ের হাতে ভাই খুনের ঘটনায় ঘাতক ভাই আটক নলছিটিতে কৃষকদের মাঝে বিণামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ জবিতে চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপিত মোরেলগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড রাজশাহীতে দুস্থদের মাঝে সত্যের জয় সামাজিক সংগঠনের ইফতার বিতরণ রামপালে সংখ্যালঘু শীল বংশের বারোয়ারী পুকুর দখল চেষ্টায় পূজা পরিষদের ক্ষোভ প্রকাশ বাকেরগঞ্জে তিন টি ইউনিয়নে প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের (ক শ্রেণির) মধ্যে যাচাই-বাছাই নলছিটিতে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিদের দায়িত্ব-কর্তব্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাজশাহীর বাঘায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজ ছাত্রের মৃত‍্যু বাগেরহাটে ধর্ষনের অভিযোগে অটোরিক্সা চালক আটক
নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭২৬ ০৫ ০৫ ০৮
ঝুঁকিতে বাকেরগঞ্জ উপজেলা শহরের হাজারো মানুষ! পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতা ! যেন দেখার কেউ নেই!
/ ৮৫ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২২, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন

 

ঝুঁকিতে বাকেরগঞ্জ উপজেলা শহরের হাজারো মানুষ!
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বহীনতা!
যেন দেখার কেউ নেই!

জিয়াউল হক,বরিশাল/
সিডর,আইলা,মহসিন,বুলবুল,আম্পান ও ইয়াসের মত ঝড়,বন্যা,জলোচ্ছ্বাস প্রতিবছর আঘাত হানে বাকেরগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকায়। বর্ষা মৌসুমে বেশিরভাগ নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তুলাতলী নদিতে। উপজেলা শহর পৌর এলাকার চরাঞ্চলের কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে প্রতিবছর।

ঝড়-বন্যা-জলোচ্ছ্বাসের সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয় মানুষের। প্রতি বছর যখনই ঝড় বন্যায় নদীর পানি বৃদ্ধি পায় তখন দুর্বল বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে পৌরসভার ২,৩,৫,৬ নং ওয়ার্ডের ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজারো পরিবারের মানুষ। ভেসে যায় মৎস্য ঘের, ফসলি জমি সহ ঘর বাড়ি।

ঐতিহ্যবাহী বাকেরগঞ্জ বন্দর সহ উপজেলার মূল শহরের সদর রোড নদী ভাঙ্গনের কবলে, বাকেরগঞ্জ বন্দর সদর রোড এলাকার শতাধিক পরিবার হারাতে বসেছেন মাথাগোঁজার শেষ ঠাই ভিটেমাটি বসত ঘর পর্যন্ত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ মন্দির সহ কবরস্থান শ্মশানঘাট নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাসন-শোষণ করেছেন অনেক এমপি-মন্ত্রীরাও তবে ভাগ্যের চাকা ঘোরে নেই চর অঞ্চল বাসির।

তবে প্রতিবছর পৌর কর্তৃপক্ষ তাদের অর্থায়নে কয়েকটি ওয়ার্ডে বেড়িবাঁধ পুননির্মাণ করে থাকে তবে দুর্বল বেড়িবাঁধ কখনোই টেকসই বেড়িবাঁধ হয়ে ওঠে না। প্রতিবছর বন্যার কবলে বেড়িবাঁধ আবারও ভেঙে প্লাবিত হয়।

উপজেলার সাহেবগঞ্জ থেকে রুহিতারপাড় ৬ নং ওয়ার্ডের সংযোগ বেড়িবাঁধ প্রায় ১ কিলোমিটার নদী ভাঙ্গনে প্রতিবছর নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভাঙ্গনে নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে কয়েক শত পরিবারের ভিটেমাটি।

৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো: জুয়েল হাওলাদার জানান, হেলিপ্যাড থেকে রুহিতার পাড় পর্যন্ত যে বেড়িবাঁধ তা প্রতিবছরই নদী ভাঙ্গনে নদীগর্ভে চলে যায়। স্বাধীনতার ৫০ বছরেও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় প্রতি বছর ঝড়, বন্যা, জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে, কোথাও বেড়িবাঁধ ভেঙে, কোথাও বেড়িবাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এলাকাবাসী। কখনো এলাকাবাসীর অর্থায়নে কখনো পৌর কর্তৃপক্ষের অর্থায়নে বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হলেও কয়েক মাস পরেই নদীগর্ভে চলে যায়।

প্রতিবছর কোন না কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় আমাদের ঘর বাড়ি সহ আয়ের প্রধান উৎস মাছের ঘের। কেবল জীবন যাত্রায় বিপন্নতা নয়, অর্থনীতিতেও নেমে আসে দুরবস্থা। বাঁধ ভেঙ্গে গ্রামে প্রবেশ করেছে নদী পানি যা জনসাধারণের বসত ঘর, রান্না ঘর ছুয়ে যায়। কিছু স্থানে গবাদী পশু আর মানুষ একই সাথে বসবাস করতে হয় তখন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতায় আজও এই বেড়িবাঁধে মাটি দেওয়া হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, শীঘ্রই আমরা ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ সহ ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো পরিদর্শন করে কি পরিমান বাজেট প্রয়োজন হতে পারে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

01726050506

এ জাতীয় আরো খবর
আমাদের ফেইসবুক পেইজ