রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:১২ অপরাহ্ন বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর ৪২০ ফেন্সিডিল সহ র‍্যাব-৫ এর হাতে আটক। ছেলে কে ভর্তি করাতে এসে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল পিতার। রামপালে বাঁশতলী ইউনিয়নে সূধী সমাবেশ পিরোজপুরের দীর্ঘায় ছাত্র ইউনিয়নের নতুন কমিটি বাকেরগঞ্জে দেশী প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষন ও উন্নয়ন,  উদ্বুদ্ধকরন সভা অনুষ্ঠিত বরিশালে স্বামী হত্যায় স্ত্রীসহ দুজেনর যাবজ্জীবন কারাদন্ড খাবারের সাথে খেলনা টাকা শিশুদের বিপদগামী করতে পারে। কলাপাড়ায় ঋন খেলাপীর দায়ে ১চেয়ারম্যান সহ ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল।। পৃষ্ঠপোষকতা পেলে পুনরায় স্কুলমুখী হবে সীমা বাঘায় নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীগনের মনোনয়নপত্র দাখিল।
নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭২৬ ০৫ ০৫ ০৮
সৎ ভাইয়ের সাথে পরকীয়া, অভিমানে স্বামীর আত্মহত্যা
/ ৩৮৫ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১, ৭:৫৫ পূর্বাহ্ন

স্টাফ রিপোর্ট//
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা ভিটাবাড়ীয় গ্রামে বৈমাত ভাইয়ের সঙ্গে স্ত্রী পরকিয়া হাতে নাতে ধরা পড়ায় স্বামী বেল্লাল সরদার (২৭) নামে এক যুবক বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন। সে দক্ষিণ ভিটা বাড়ীয় গ্রামের জলিল সরদারের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ নিহত বেল্লালে স্ত্রী সোনিয়া বেগম এবং পরকীয়া প্রেমিক বৈমাতাভাই (মায়ের দ্বিতীয় স্বামীর ছেলে) রাজুকে গ্রেপ্তার করেছে।

থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে দক্ষিণ ভিটাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা জলিল সরদারে ছেলে বেল্লালে সঙ্গে প্রায় ১৪ বছর পূর্বে ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরের বাসিন্দা মো. জামালের প্রথম স্ত্রীর মেয়ে সোনিয়ার সাথে ইসলামিয়া শরিয়া মোতাবেক সাথে বিবাহ হয়। সে ঘরে মো. ঈসা নামের ৯ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

নিহত বেল্লাল ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালাত। নিহত বেল্লালের চাচী রানী বেগম জানান, সোনিয়ার মায়ের দ্বিতীয় স্বামীর ছেল মো. রাজু বৈমাত বোন সোনিয়ার বাড়িতে বেড়াতে এসে সৎ বোনের সঙ্গে পরকীয়া জড়িয়ে পরে। এ ঘটনা জানাজানি হলে বেল্লাল ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরের ভুবনেশ্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে চলে যায় এবং প্রায় দের বছর বসবাস করে আর্থিক সংকটে পড়ে পুনঃরায় পৈত্রিক বাড়িতে ফিরে আসে। এদিকে স্ত্রীর এ ধরনের ঘটনা এলাকাবাসির মুখে শোনা ছাড়াও নিজের হাতেনাতে ধরা পড়ায় স্বামীর স্ত্রী সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হয়। ক্ষোভে ঘৃনায় গত ৫ অক্টোবর দুপুরে বেল্লাল বিষ পান করে।

পরে তাকে জ্বর,পাতলা পায়খানার রোগী বলে তাকে অচেতন অবস্থায় ভাণ্ডারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি চিকিৎসকদের সন্দেহ হলে বেল্লালকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে গত বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বেল্লাল। এ ঘটনায় নিহত বেল্লালের বাবা মো. জলিল সরদার বাদি হয়ে পুত্রবধূ সোনিয়া, তার বৈমাত ভাই রাজু এবং শ্বশুর জামালকে আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলা দায়ের করেন।

ভাণ্ডারিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, মো. বজলুর রহমান এ ঘটনায় ভাণ্ডারিয়া থানায় ৩০৬ ধরার আত্মহত্যার প্ররোচনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ এ মামলার আসামী বেল্লালে স্ত্রী সোনিয়া বেগম এবং তার বৈমাতভাই (মায়ের দ্বিতীয় স্বামীর ছেলে) রাজুকে গ্রেপ্তার করে গতকাল শুক্রবার সকালে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

এ জাতীয় আরো খবর
আমাদের ফেইসবুক পেইজ