বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
ভাইয়ের হাতে ভাই খুনের ঘটনায় ঘাতক ভাই আটক নলছিটিতে কৃষকদের মাঝে বিণামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ জবিতে চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপিত মোরেলগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড রাজশাহীতে দুস্থদের মাঝে সত্যের জয় সামাজিক সংগঠনের ইফতার বিতরণ রামপালে সংখ্যালঘু শীল বংশের বারোয়ারী পুকুর দখল চেষ্টায় পূজা পরিষদের ক্ষোভ প্রকাশ বাকেরগঞ্জে তিন টি ইউনিয়নে প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের (ক শ্রেণির) মধ্যে যাচাই-বাছাই নলছিটিতে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিদের দায়িত্ব-কর্তব্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাজশাহীর বাঘায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজ ছাত্রের মৃত‍্যু বাগেরহাটে ধর্ষনের অভিযোগে অটোরিক্সা চালক আটক
নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭২৬ ০৫ ০৫ ০৮
রং-বেরঙের ঘুড়ি নিয়ে কুয়াকাটা সৈকতে ক্ষুদে ব্যাবসায়ী রনি।। 
/ ১৮২ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ২:৪৫ অপরাহ্ন
মোয়াজ্জেম হোসেন, কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।। বিকেলে ঘুরতে নামলে দেখা মিলছে রং-বেরঙের নানান ধরনের ঘুড়ি উড়ছে সৈকতের আকাশে। কুয়াকাটা পৌরসভার কম্পিউটার সেন্টার এলাকার বাসিন্দা রনি। বারো বছর বয়সে লেখাপড়ার পাশাপাশি সৈকতে ঘুড়ি বিক্রি করে পরিবারের খরচের জোগান দিচ্ছেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে মেঝ রনি। বাবা মিস্ত্রির কাজ করে। তাতে সংসারের সকল খরচ মিটানো সম্ভব হচ্ছিল না। তাইতো বাবার সাথে সংসারের দ্বায়িত্ব পালন করতে নেমে পরেছেন শিশু শ্রমে।
একান্ত সাক্ষাৎকালে রনি বলেন, কুয়াকাটা বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী তিনি। কুয়াকাটা পৌরসভার তিন নং ওয়ার্ডের রুস্তম হাওলাদারের মেঝ সন্তান। বিদ্যালয় খোলা থাকলে শুক্রবার সারাদিন এবং অন্য দিনগুলোতে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুড়ি বিক্রি করেন। চিল ঘুড়ি, ড্রাগন ঘুড়ি, ফাইটার ঘুড়ি, বিমান ঘুড়ি, পংখীরাজ ঘুড়ি এবং ফুল ঘুড়ি সহ নানান ধরনের ঘুড়ি বিক্রি করেন সে। সারাদিন ঘুড়ি বিক্রি করতে পারলে প্রায় দুই হাজার টাকা বিক্রি করা সম্ভব যার মধ্যে চার থেকে পাঁচ শত টাকা লাভ হয় বলে তিনি জানিয়েছেন। চিল ঘুড়ি ছোট সাইজ ১২০ টাকা, মাঝারি ১৫০ টাকা এবং বড় সাইজ ২৫০ টাকা বিক্রি করি, ফুল ঘুড়ি ১২০ টাকা, ড্রাগন এবং পংখীরাজ ঘুড়ি ৫০০ টাকা বিক্রি করেন তিনি। জায় মাল ব্যাবসায়ীরা চাহিদা মোতাবেক ঢাকা চকবাজার থেকে মাল এনে দেন এবং বিক্রি করে তাদের টাকা পরিশোধ করতে হয়। বড় ভাই কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজে স্নাতক শ্রেণীর শিক্ষার্থী। বড় হয়ে ব্যবসায়ী হয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে চান রনি। বীচে ব্যাবসা করতে বর্তমানে কোন টাকা না লাগলেও পূর্বে বাৎসরিক দুই হাজার টাকা দিতে হতো ট্যুরিস্ট পুলিশকে এমনটাই জানান রনি। আবার চাইলে দিতে হবে জানিয়ে এ চাঁদার হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন এই ক্ষুদে ব্যাবসায়ী।
কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হাওলাদার জানান, কুয়াকাটা সৈকত এলাকায় স্থানীয় সহ দূর দূরান্ত থেকে এসে অনেক অসহায় ছেলেরা ব্যাবসা করে খাচ্ছে। তিনি আরও জানান, পৌরসভার পক্ষ থেকে এসব মানুষকে পূনর্বাসনের কোন বাজেট নেই। তবে আমার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এই সকল ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ীদের কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেছে এমন অভিযোগ নেই। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

01726050506

এ জাতীয় আরো খবর
আমাদের ফেইসবুক পেইজ