সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৩:১৯ অপরাহ্ন বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
পৃষ্ঠপোষকতা পেলে পুনরায় স্কুলমুখী হবে সীমা বাঘায় নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীগনের মনোনয়নপত্র দাখিল। পুলিশের হাতে ইয়াবা সহ স্বামী স্ত্রী আটক। বেলাব উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। সী-প্লেনের আদলে হোভারক্রাফট তৈরি করেছেন ক্ষুদে বিজ্ঞানী শাওন।।  বাকেরগঞ্জে বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কালিয়া নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বিষয় মতবিনিময় সভা বাঘায় মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মীর্জাগঞ্জে সাংবাদিকদের উপরে হামলার প্রতিবাদে বাকেরগঞ্জে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত
নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭২৬ ০৫ ০৫ ০৮
আবারও বাঁধ ভেঙে মানুষের ক্ষতি, বরাদ্দ হলেও দৃশ্যত কাজ নেই
/ ১১৫ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১, ২:৫০ অপরাহ্ন

 

আরিফুল ইসলাম আরিফ// আমরা টেকসই বাঁধ চাই, সাহায্য আমাদের দরকার নাই, সাহায্য আমরা চাই না। আমরা চাই এদেশের উওরঞ্চলের বসবাসের জন্য টেকসই তিস্তার বাঁধ।” রুপসী টিভির কাছে এভাবেই আকুতি জানাচ্ছিলেন জলঢাকা উপজেলার বাসিন্দা মণ্ডল। তিস্তার পানির প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে তিনি আয় রোজগারের একমাত্র সম্বল , ফসলি জমি সবই হারিয়েছেন। বসতভিটাতেও পানি উঠে গেছে, জলোচ্ছ্বাসে নিঃশেষ হয়েছেন বার বার। একই পরিস্থিতি গ্রামের অন্যান্য বাসিন্দাদের। মুহূর্তের মধ্যে জীবন জীবিকার ওপর এমন আঘাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এই অসহায় মানুষগুলো। এই ক্ষয়ক্ষতির মূল কারণ হিসেবে তারা অভিযোগ করছেন টেকসই বাঁধ না থাকাকে। মণ্ডল আক্ষেপ করে জানান তাদের সহায়তার প্রয়োজন নেই, তারা চান যেন বাঁধ যেন ঠিক করে দেয়া হয়। তিনি বলেন, গরিব মানুষের কথা কি বলবো, এবারও জলে গেলে, টেকসই বেড়িবাঁধ না হলে আমরা তো টিকতি পারবো না।” এলাকাগুলোর তিস্তার বেড়ি বাঁধ ভেঙে গিয়ে নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার ধান ক্ষেত প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্হানিয় গ্রামবাসী তারমধ্যে উওরে ভারী বর্ষনে পানির উচ্চতা বেড়েছে কয়েকফুট। কিন্তু ষাটের দশকে নির্মিত উওরঞ্চলের এসব মাটির বাঁধের এখন এতোই জরাজীর্ণ অবস্থা যে জোড়াতালি দিয়েও জলোচ্ছ্বাস ঠেকানোর মতোও অবস্থা নেই। বছরের পর বছর ভাঙতে ভাঙতে উচ্চতা, প্রতিরোধ ক্ষমতা এতোটাই কমে গেছে যে কয়েকটি এলাকার মানুষ নিজ উদ্যোগে মাটি চাপা দেয়ার চেষ্টা করেও পানির তোড় আটকাতে পারেনি। অথচ সরকার প্রতিবছর বাঁধ নির্মাণ বাবদ কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে আসছে বলে খবর প্রকাশ হতে দেখেছেন জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পলাশ রায় কিন্তু তিনি বা স্থানীয়দের কেউ তাদের এলাকায় দৃশ্যত কোন কাজ হতে দেখেননি বলে অভিযোগ করেন। মণ্ডল জানান, টেকসই বেড়িবাঁধের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় তার এলাকার ২৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ২৫ কিলোমিটার উপচে পানি প্রবেশ করেছে। ১৫টির বেশি রাস্তা ভেঙে গেছে।

এ জাতীয় আরো খবর
আমাদের ফেইসবুক পেইজ