বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৫ অপরাহ্ন বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন। বাগেরহাটের রামপালে রাজনগর ইউপি’র নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত বেলাবতে প্রকল্প অবহিতকরণ সভার আয়োজন নড়াইলে ফল ব্যবসায়ী  কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা গৃহপালিত একটি মুরগী হঠাৎ করেই মোরগে রুপান্তরিত হয়ে গেছে বগুড়া ধুনটে হ্যান্ডমাইক নিয়ে রাস্তায় নেমে এলেন মেয়র নিজেই অবৈধ বালু কাটায়  কুয়াকাটা সৈকত।। নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে উপকূলের জেলেরা রামপালের ফয়লাহাট থেকে র‌্যাবের হাতে কথিত জ্বীনের বাদশা প্রতারক চক্রের সদস্য আটক দক্ষিণের পায়রা সেতু’ উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে সৃষ্টি হলো নতুন ইতিহাস। বিলুপ্ত হলো ফেরী পাড়াপাড়
নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭২৬ ০৫ ০৫ ০৮
বরিশালে রেল স্টেশনগুলোর ভবন হবে ইলিশ আকৃতির, নকশা প্রস্তুত
/ ১২৫ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
বরিশাল//অবশেষে পায়রা বন্দরসহ দক্ষিণাঞ্চলকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনার প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিস্তারিত নকশা, সম্ভব্যতা সমীক্ষা ও টেন্ডার ডকুমেন্টসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র রেলওয়েতে জমা দিয়েছে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। ফলে দক্ষিণাঞ্চলে ট্রেন চালানোর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুঃসাহসিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন একধাপ অগ্রগতি লাভ করল। চলতি মাসের মধ্যে প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত সমূদ্বয় কাগজপত্র রেলওয়ের পরিকল্পনা বিভাগে যাচ্ছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।
৪১ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষ ২১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ রেলপথ নির্মাণ প্রকলটি পিপিপি পদ্ধতিতে ডিপিএম-এ ১টি প্যকেজে বা ওটিএম পদ্ধতিতে ৪টি প্যাকেজে বাস্তবায়িত হতে পাড়ে। তবে এসব কিছুই নির্ধারিত হবে একনেকের সভায়। প্রকল্পটির জন্য এখনও দাতা পাওয়া না গেলেও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ছাড়াও পিপিপি পদ্ধতিতে বিনিয়োগে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ ব্যক্ত করলেও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।
রেলপথ অধিদপ্তরের অনুমোদন শেষে ডিপিপি’টি মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশনে আগামী মাসেই যাবার সম্ভবনা রয়েছে। রেলওয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহল থেকে আগামী ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপি’তে প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্তিরও আশাবাদ ব্যক্ত করে ২০২৮-এর জুনের মধ্যে ভাঙ্গা-বরিশাল-পায়রা-কুয়াকাটা রেলপথ চালুর আশাবাদ ব্যাক্ত করা হয়েছে। এ রেলপথ দক্ষিণাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় বিশাল মাইল ফলক হয়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দক্ষিণাঞ্চলের খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্থনীতির শিক্ষকগণ। এমনকি পায়রা বন্দরের পরিপূর্ণ ব্যবহার ছাড়াও কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের বিকাশেও এ রেলপথ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০১৮-এর অক্টোবরে ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল-পায়রা-কুয়াকাটা রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, বিস্তারিত নকসা প্রণয়ন ও টেন্ডার ডকুমেন্ট তৈরীর লক্ষে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী ২০২০ সালের মার্চে প্রতিষ্ঠানটি প্রস্তাবিত এ রেলপথ, স্টেশন ও জংশন স্থাপনের সমীক্ষাসহ বিস্তারিত নকশা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও সে কাজটি সম্পন্ন হয়েছে চলতি বছরের জুলাই মাসে। করোনা সংকটের পাশাপাশি এলাইনমেন্ট পরিবর্তনের কারণেও বিলম্বের কথা জানিয়েছে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রস্তাবিত রেলপথের কয়েকটি স্থানে পুনরায় জরিপ পরিচালনা করে নতুন এলাইনমেন্ট অনুযায়ী নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে।
এ রেলপথ নির্মাণের ফলে পায়রা বন্দর ছাড়াও পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা এবং বরিশাল বিভাগীয় সদরসহ দক্ষিণাঞ্চল রেলপথে ভাঙ্গা জংশন হয়ে রাজধানী ঢাকা ছাড়াও উত্তরবঙ্গে সংযুক্ত হবে। তবে মূল ‘প্রকল্প প্রস্তাবনা’য় ২০২৩ সালের মধ্যে এ রেলপথ চালুর লক্ষ্য থাকলেও সে সময়ের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শুরু নিয়েই এখনও সংশয় রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকার প্রধান যথেষ্ঠ আগ্রহী হলেও মাঠপর্যায়ে নানামুখী জটিলতাসহ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সময়মত ডকুমেন্ট ও নকশা দিতে বিলম্ব করায় তা যথেষ্ঠ পিছিয়ে পড়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইতোমধ্যে বরিশালের বাকেরগঞ্জের কাছে মূল এলাইনমেন্ট কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। এতে জমির প্রয়োজনীয়তাও কিছুটা কমবে। পাশাপাশি লাইনটি পায়রা বন্দর ছুয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এমনকি ভাঙ্গা বরিশাল-পায়রা-কুয়াকাটা রেলপথ নির্মাণ কাজ শেষ হবার মধ্যেই পায়রা বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায় সম্পন্ন হওয়ায় বন্দর থেকে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংসহ অন্যান্য পণ্য পরিবহনের পথ সুগম হবে।
এ জাতীয় আরো খবর
আমাদের ফেইসবুক পেইজ