রবিবার, ১৫ মে ২০২২, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
ভাইয়ের হাতে ভাই খুনের ঘটনায় ঘাতক ভাই আটক নলছিটিতে কৃষকদের মাঝে বিণামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ জবিতে চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপিত মোরেলগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড রাজশাহীতে দুস্থদের মাঝে সত্যের জয় সামাজিক সংগঠনের ইফতার বিতরণ রামপালে সংখ্যালঘু শীল বংশের বারোয়ারী পুকুর দখল চেষ্টায় পূজা পরিষদের ক্ষোভ প্রকাশ বাকেরগঞ্জে তিন টি ইউনিয়নে প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের (ক শ্রেণির) মধ্যে যাচাই-বাছাই নলছিটিতে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিদের দায়িত্ব-কর্তব্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাজশাহীর বাঘায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজ ছাত্রের মৃত‍্যু বাগেরহাটে ধর্ষনের অভিযোগে অটোরিক্সা চালক আটক
নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭২৬ ০৫ ০৫ ০৮
ঘাঘট নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কবে বন্ধ হবে এই অনিয়ম ?
/ ৩১৮ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১, ৭:৩১ পূর্বাহ্ন

 

আরিফু্ল ইসলাম আরিফ// রংপুর গংগাচড়া উপজেলার ঘাঘট নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। অথচ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলছেন, ঘাঘট নদী থেকে বালু উত্তোলন করতে সরকারিভাবে কাউকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। বালু উত্তোলনের ফলে নদী-তীরবর্তী গ্রামের মানুষের বসতভিটা, আবাদি জমি ও রাস্তা ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে। এলাকাবাসী স্হানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। গংগাচড়া উপজেলার ৯নং নোহালী ইউনিয়নে ঘাঘট নদীর পশ্চিম কচুয়া দোলাটীরীর আবু বকরো নামে একজনের বাড়িতে তোলা হচ্ছে ঘাঘট নদী থেকে অবৈধ বালু এছাড়াও কয়েকজন ব্যবসায়ী ড্রেজার মেশিনের সাহায্যে অবাধে বালু তুলে লাখ লাখ টাকার অবৈধ ব্যবসা করছেন। আর বালু তোলার জন্য তারা সরকারের কাছ থেকে কোনো অনুমতিও নেননি। বালু তোলার ফলে কয়েক গ্রামের বেশ কিছু পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেক পরিবার হারিয়েছে আবাদি জমি। বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সবাই প্রভাবশালী বলে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন তাদের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো অভিযোগ দিতেও সাহস পাচ্ছেন না। অবস্থা অনেকটা মগের মুল্লুকের মতো। যার যা খুশি করছে। কিন্তু কারও যেন কিছু বলার নেই। এই বালু উত্তোলনের মাধ্যমে একদল মানুষ অবৈধভাবে টাকা কামাচ্ছে, আর অন্যদিকে মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ছে। গুটিকয়েক লোকের স্বার্থসিদ্ধির জন্য এভাবে মানুষের সর্বনাশ মেনে নেওয়া যায় না। ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয় এবং নদীর দুই পাড় ভেঙে যায়। অর্থাৎ নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে প্রকৃতিরও ক্ষতি হচ্ছে। এ ক্ষতি রোধ করতে হবে। অবিলম্বে এই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। বালু উত্তোলনকে নিয়মকানুনের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। প্রশাসনের কেউ এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থেকে সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছে কি না, সেটা তদন্ত করে বের করতে হবে এছাড়া ও বিভিন্ন নদি ঘুরে দেখা যায় চলছে রমরমা অবৈধ বালু উওোলন এ বিরুদ্ধে স্হীনীয় চেয়ারম্যান কে জানালে কোন প্রকার অ্যাকশন নিতে দেখা যায় নি বলে অভিযোগ করে ভোক্তভোগী রা

01726050506

এ জাতীয় আরো খবর
আমাদের ফেইসবুক পেইজ