বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০১ অপরাহ্ন বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন। বাগেরহাটের রামপালে রাজনগর ইউপি’র নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত বেলাবতে প্রকল্প অবহিতকরণ সভার আয়োজন নড়াইলে ফল ব্যবসায়ী  কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা গৃহপালিত একটি মুরগী হঠাৎ করেই মোরগে রুপান্তরিত হয়ে গেছে বগুড়া ধুনটে হ্যান্ডমাইক নিয়ে রাস্তায় নেমে এলেন মেয়র নিজেই অবৈধ বালু কাটায়  কুয়াকাটা সৈকত।। নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে উপকূলের জেলেরা রামপালের ফয়লাহাট থেকে র‌্যাবের হাতে কথিত জ্বীনের বাদশা প্রতারক চক্রের সদস্য আটক দক্ষিণের পায়রা সেতু’ উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে সৃষ্টি হলো নতুন ইতিহাস। বিলুপ্ত হলো ফেরী পাড়াপাড়
নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭২৬ ০৫ ০৫ ০৮
ননী ফলের অসাধারন উপকারিতা শুনলে অবাক হবেন
/ ৩৭ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১, ৩:১৭ অপরাহ্ন
চলুন দেখে নেওয়া যাক আমাদের কি কি উপকার করে এই ননীফল।
ননির ইংরেজি নাম মরিনডা সিট্র্রিফোলিয়া। হাজার হাজার বছর আগে, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসকারী ব্যক্তিরা একটি ছোট ফুলের গাছের তীক্ষ্ণ গাছের সন্ধান পেয়েছিল “নোন গাছ, ফলটি মানব দেহের কোষের সমৃদ্ধ কোষে সমৃদ্ধ, সেখানে প্রবেশ করার জন্য একটি শক্তিশালী প্রভাব রয়েছে, স্থানীয় মানুষের মধ্যে নরম ফলের গাছ। নরি ফলের মূলত দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশ্বের অন্যান্য গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলেও ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপপুঞ্জ ভানুয়াতুতে পাওয়া যাবে। , দক্ষিণ দ্বীপপুঞ্জে কুক দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি এবং সামোয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় উত্তর গোলার্ধে ফিলিপাইন, সাইপান, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ায় ননি ফলের, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে সমৃদ্ধ এবং চীনের হাইনান আইল্যান্ড, জিসা দ্বীপপুঞ্জ এবং তাইওয়ান দ্বীপে বনভূমি রয়েছে। ।
বিসি হিসাবে প্রাথমিকভাবে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আদিবাসীরা আবিষ্কার করেছিলেন যে ননী ফল প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যের প্রভাব এবং চিকিৎসা প্রভাব রয়েছে, তারা ঈশ্বরের উপাসনা হিসাবে প্রায়শই ননি ফলের চাষ করে। দৈনিক পানীয় হিসাবে ফিল্টার করা হয় এবং ঈশ্বরকে উপহার হিসেবে বিবেচনা করে।
রোগ আচরণ করে। যদিও দ্বীপটি আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম নয়, তবে স্থানীয়রা তিনটি উচ্চ, কোন ক্যান্সার, জীবন প্রত্যাশা খুব দীর্ঘ, 82 বছর বয়সী, যা নন ফল সম্পর্কিত হতে পারে।
ননি ফলের নির্যাস একটি নিরাপদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যকলাপ এবং মায়োকার্ডিয়াল সেল ফাংশন সুরক্ষা দিয়ে, ক্ষতিগ্রস্ত মায়োকার্ডিয়াল কোষগুলির শক্তি বিপাক নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, হার্ট ব্যর্থতার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে।
১০০% noni extarct, গুঁড়া
সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন।
পরিত্যক্ত লতাপাতা আর আবর্জনা হতে পারে দেশের সোনা। কথাটি এখন সর্বজন স্বীকৃত। কেননা এক সময় যা আমাদের দেশে ফেলনা ও পরিত্যক্ত ছিল পরবর্তিতে তা মুল্যবান রপ্তানি পণ্যে পরিণত হয়েছে।
প্রয়োজন শুধু এ সব পণ্য চিনে নেয়া ও তার ব্যাবহার সম্পর্কে জানা। সেরকমই একটি অর্থকরী কৃষি পণ্য ননি ফল। অবাক করার মতো বহুমূখি ব্যবহারযোগ্য এ ফলটি।
আমাদের দেশের আবহাওয়ায় পরিকল্পিত চাষ করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, ননি ফল মানুষের রোগের উপকারই করে না ননি ফল গাছের বাগান যে এলাকায় থাকবে সে এলাকায় সংক্রমন রোগ ছড়ায় না।
বাংলাদেশের প্রায় সাত লাখ সাস’্যসচেতন পরিবার নিয়মিত ননি ফলের জুষ ব্যাবহার করেন। যাহা মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে উচ্চ মূল্যে আমদানি করা হয়।
শত সম্ভাবনা থাকা সত্যেও আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। কম খরছে পরিবারের সকলের রোগ প্রতিরোধক একটি প্রাকৃতিক খাবার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের সাধারন মানুষ।
ননি ফল কি : বৈজ্ঞানিক নাম মরিন্ডাসিট্রিফলিয়া, এর চাষের জন্য বাংলাদেশের আবহাওয়া খুবই অনুকুল। ননিফলের রসে আছে ভিটামিন এ,সি,ই,বি,বি ২,বি ৬,বি ১২, ক্যালসিয়াম, আয়রন, নিয়াসিন, ফলিক অ্যাসিড, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ফসফরাস, ম্যাগ্নেসিয়াম, জিঙ্ক, কপার এবং অন্যান্য মিনারেলস যেমন ক্রোমনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, মলিবডেনাম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, কার্বোহাইড্রেটস ও ১৫০টির বেশী পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। এবং প্রাক ক্যান্সার ও টিউমার বৃদ্ধিকেও দমন করে।
সারা বিশ্বে বর্তমানে ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ননি ফল নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে।
হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীন গবেষক ড. রালফ এম হেনেইনিকের মতে ননি ফলের রসে প্রাকৃতিক এ্যালকালয়েড জেরোনিনের পাশাপাশি এক ধরণের রাসায়নিক উপাদান রয়েছে যা, বিপাকতন্ত্রে জেরোনিনে রম্নপানত্মরিত হয়।
তিনি আরো জানান, একটি পরিপড়্গ ননি ফলের রসে এসব গুণ বিদ্যমান ননি ফলের রসকে কোন কৃত্রিম সংরক্ষন ছাড়াই দির্ঘদিন ব্যবহার করা যায়।
তার মতে, ননি ফলের রসে উচ্চ রক্তচাপ কমায়, শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে, প্রদাহ ও হিষ্টামিন প্রতিরোধী, ব্যাথা ও জ্বালা কমায়, এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টি যা পরিপাক প্রণালী ও হৃদ ক্ষত প্রতিরোধ করে এবং প্রাক ক্যান্সার টিউমার বৃদ্ধিকে দমন করে।
উদ্ভিদ বিদ্যায় পারদর্শী বিজ্ঞানী ড. ইসাবেল এলবার্ট-এর মতে, ননি ফলের রস ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে, উচ্চ রক্তচাপে এবং ক্যান্সারেও বিশেষ উপকারি তার মতে, ননি ফলের রসে রয়েছে ফাইটোনিয়েন্টস খাদ্যযাত উপশমকারী বৈশিষ্ট্য যে কারণে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং স্কপলেটিন ফাইটোনিউট্রেয়েন্ট উপাদান পূর্বে সঙ্কুচিত রক্তনালীকে সচল করে। ননি ফলের রস মানব শরীরের অস্বাভাবিকভাবে কার্যকৃত কোষকলাকে প্রয়োজনীয় নিশ্চিত প্রভাব বিসত্মার করে যা মানুষকে সুস’ অনুভব করায়। তিনি আরো জানান, ননি ফলের রসে এক ধরণের অপরিবর্তনশীল যৌগ রয়েছে যা কান্সার উৎপন্নকারী কোষকে প্রতিরোধ করে এবং বাড়তে দেয় না। এছাড়াও ননি ফলের রসে ইনোসিটল পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে ইনোসিটলে পুর্বাভাষকারী কোষের কার্যক্রম ডিপ্রেশনের চিকিৎসা হিসেবে উপকারী ভূমিকা রাখে। ইনোসিটল এক ধরণের প্রাকৃতিক শর্করা সুরাসর/এলকোহল যা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে নিশ্চিত ভূমিকা রাখে। বিশ্বয়কর এ ননি ফলের গুণের কথা লিখে শেষ করা যাবেনা। ননি ফল যাহা দু’হাজারেরও বেশী বছর ধরে প্রাচীন পলিনিশিয়া, চিন, এশিয়া, অষ্ট্রেলিয়া, ভারতের আদিবাসীদের মধ্যে অসাধারণ ড়্গমতা সম্পন্ন ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমান এ আধুনিকতার যুগেও প্রচুর ঔষধীগুণ সম্পন্ন এই ফলের রস মানব শরীরের বিভিন্ন ধরণের উন্নতির প্রমাণ দেখিয়েছে।
বিশিষ্ট ভেষজ গবেষক ও কৃষিভিওিক অনলাইন পত্রিকা কৃষককথা ডটকম-এর সম্পাদক মো: আহছান উলস্নাহ জানান, অসাধারণ এই প্রাকৃতিক খাবার ননি ফলের রস মালেয়শিয়ার ডিএস্কএন কোম্পানী মরিনঝি জুস নামে বাজারজাত করছে। আমাদের দেশে প্রাকৃতিক এ বেভারেজটি দিনদিন জনপ্রিয়তা লাভ করছে। তবে আমাদের দেশে যেহেতু আমদানী নির্ভর সে কারণে দাম একটু বেশী পড়ছে। সরকারি কিছু বিধিবিধানও এর জন্য দায়ী। এ দেশের মাটি আর মানুষ গভীর বন্ধনে বাঁধা। মাটি আমাদের বিনামুল্যে অনেক উপহার দিয়ে থাকে। কৃষি বিষেশজ্ঞদের কাছে আমাদের একটি আবেদন যাতে তারা খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি বাংলার ভেষজ সম্পদকে কৃষির উপখাত হিসেবে চিহ্নিত করে এর প্রতি গবেষণামুলক কার্যক্রম গ্রহণ করা দরকার।
১. হাড়ের সমস্যায়
হাড়ের সমস্যার ক্ষেত্রে ননী ফলের রস খুব উপকারী।এমনটাই মনে করছেন ফরটিস্ হসপিটালের চিকিৎসক ডক্টর আহুজা।তাঁর দাবী যারা হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন,গাঁটে গাঁটে ব্যথা,তাদের ক্ষেত্রে এই ফল খুব উপকারী।তারা যদি রোজ এই ফলের রস বা শরবতখেতে পারেন,তাহলে খুব তাড়াতাড়ি ভালো ফল পাবেন।ব্যথা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাবেন।তীব্র হাঁটুর যন্ত্রনায় যারা ভুগছেন,তাদের এই ননী ফলের শরবত খাওয়ার কথা বলেন তিনি।আর্থ্রারাইটিসের সমস্যায় ভোগা রুগীদের ক্ষেত্রে এই ননী ফল কিন্তু আশীর্বাদ স্বরূপ।
২. ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা
অনেকের শরীরেই ইউরিক অ্যাসিড বেশী থাকে।অর্থাৎ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায় যেটার কারণে নানান সমস্যা হয়।হাঁটুতে প্রচণ্ড ব্যথা থাকে।এছাড়াও আরও নানান সমস্যায় পড়তে হয়।এই বিরক্তিকর সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যে কতটা কঠিন যারা এই সমস্যায় ভুগছেন তারাই জানেন। সবসময় ওষুধ খেয়ে যেতে হয়।কিন্তু এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে ননী ফল যেটা ইউরিক অ্যাসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. এনার্জি বাড়াবে ননী
এনার্জি কমে যাচ্ছে?যখন তখন ক্লান্তি অনুভব করছেন?তাহলে খান ননী ফলের শরবত বা রস।ব্যাস,দেখবেন ক্লান্তি যেন কোথায় উধাউ।কারণ এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিনস।এক চুটকিতে শরীরের ক্লান্তি দূর করতে ননী ফল কিন্তু দুর্দান্ত যেটা শারীরিক ও মানসিক দুই ধরণের ক্লান্তিই কমায়।এনার্জি লেবেল বাড়ায় ও শারীরিক বিভিন্ন ক্রিয়াগুলিকে উন্নত করতে সাহায্য করে,বলছেন বৈদ্যনাথের ক্লিনিক্যাল অপারেশন ম্যানেজার ডক্টর আশুতোষ গৌতম।
৪. স্ক্যাল্প ইরিটেশন ? আছেই তো ননী
মাথায় হোক চুলকানি বা অন্যান্য সমস্যা,সমস্ত সমস্যার ক্ষেত্রেই ননী ফল খুব ভালো।স্ক্যাল্পের যেকোনো ইরিটেশন যেমন চুলকানি,ফুসকুড়ি,এমনকি খুশকির মত সমস্যাও কমাতে সক্ষম এই ননী ফল।কারণ এতে আছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণাগুণ যা স্ক্যাল্পের এই ধরণের সমস্যার ক্ষেত্রে বেশ ভালো কাজ করে।তাই স্ক্যাল্পকে ভালো রাখতে খেতেই পারেন ননী।
৫. ক্যান্সারের ওষুধ ননী
বর্তমান বিভিন্ন স্টাডি বলছে,ক্যান্সারের মত ভয়াবহ সমস্যার ক্ষেত্রেও ওষুধের মত কাজ করে ননী ফল।কারণ এতে আছে ক্যান্স নিউট্রিইয়েন্ট এবং টিউমার ফাইটিং উপাদান।বিশেষত ব্রেস্ট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এটা বেশ ভালো ফল দেখিয়েছে।
৬. বডি ইমিউনিটি বাড়াবে
বডির ইমিউন সিস্টেমকে উন্নত করতে খান ননীর রস।প্রতিদিন যদি ননীর রস খাওয়া যায়,তাহলে বিভিন্ন রোগ থেকে থাকবেন অনেক দূরে।কারণ এতে থাকা অ্যান্টি-ফাঙ্গাল,অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান।শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।শরীরকে যেকোনো রকম ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।তার ফলে শরীর থাকে সুস্থ।এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন,সারাবছর সুস্থ থাকতে ননী কতটা উপকারী।
৭. খুব স্ট্রেস ? তাহলে ননী উপযুক্ত
শরীরের অন্যান্য সমস্যা প্রতিরোধ করার সাথে সাথে,স্ট্রেস কমাতেও ননী কিন্তু জাস্ট অসাধারণ কাজ করে।বিভিন্ন রিসার্চ থেকে এটা দেখা গেছে,ননী ফল মানসিক স্ট্রেস কমাতে বেশ সাহায্য করে।সঙ্গে মানসিক ভারসাম্যকে উন্নত করে।মানসিক স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।অর্থাৎ শরীরের সাথে সাথে মনকেও ভালো রাখতে ননী খেতেই হবে বলুন?
৮. সর্দি কাশিতে
খুব ঠাণ্ডা লাগার ধাত?তাহলে খান ননী ফল।আস্তে আস্তে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন।কারণ এতে আছে অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান।তাই সর্দি,কাশি,জ্বর এসব সমস্যা থেকে অনেকটাই দূরে রাখতে সক্ষম ননী।
৯. হেলদি স্কিন পেতে ননী
এ তো গেল শারীরিক সমস্যা,এবার বলি স্কিনের কথা।আরে শরীরের সাথে সাথে স্কিনকেও তো হেলদি গ্লোয়িং রাখতে হবে নাকি।ঠিক এই কাজটাই করে ননী ফল।স্কিনকে ময়েশ্চারাইজড রাখে,হাইড্রেটেড রাখে।শুকিয়ে যেতে দেয় না।স্কিনের ময়েশ্চারকে হারিয়ে যেতে দেয় না।এই ফলের রস স্কিনে লাগাতে পারলে খুব ভালো।নাহলে খেলেও একই কাজ হবে।বিশেষত যাদের শুষ্কত্বক,তাদের ক্ষেত্রে এই ফল খুব ভালো কাজ করবে স্কিন ঠিক রাখতে।
১০. স্কিনের বয়সকে ধরে রাখবে ননী
স্কিনকে ময়েশ্চারাইজড রাখার সাথে সাথে,ননী ফলের আরেকটা খুব ভালো গুণ হল অ্যান্টি-এজিং হিসাবে কাজ করে।স্কিনকে রাখে টানটান,সতেজ।কারণ এতে আছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।তাই ত্বকের বয়সকে ধরে রাখতে ননী ফল খাওয়া শুরু করুন।
No photo description available.
এ জাতীয় আরো খবর
আমাদের ফেইসবুক পেইজ