বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০৩ অপরাহ্ন বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন। বাগেরহাটের রামপালে রাজনগর ইউপি’র নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত বেলাবতে প্রকল্প অবহিতকরণ সভার আয়োজন নড়াইলে ফল ব্যবসায়ী  কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা গৃহপালিত একটি মুরগী হঠাৎ করেই মোরগে রুপান্তরিত হয়ে গেছে বগুড়া ধুনটে হ্যান্ডমাইক নিয়ে রাস্তায় নেমে এলেন মেয়র নিজেই অবৈধ বালু কাটায়  কুয়াকাটা সৈকত।। নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে উপকূলের জেলেরা রামপালের ফয়লাহাট থেকে র‌্যাবের হাতে কথিত জ্বীনের বাদশা প্রতারক চক্রের সদস্য আটক দক্ষিণের পায়রা সেতু’ উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে সৃষ্টি হলো নতুন ইতিহাস। বিলুপ্ত হলো ফেরী পাড়াপাড়
নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭২৬ ০৫ ০৫ ০৮
কারো কাছে তিনি কলকাতার দ্বিতীয় মাদার তেরেসা,
/ ১০০ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১, ৪:৩৬ অপরাহ্ন
কারো কাছে তিনি কলকাতার দ্বিতীয় মাদার তেরেসা, কারো কাছে তিনি সাক্ষাৎ দেবী, কারো কাছে তিনি ফেরেশতা।
তিনি কলকাতার বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী সমাজ সেবী
“প্রিয়া ইসলাম ফাতিহা”
উনার জীবন সংগ্রাম নতুন প্রজন্মের জন্য একটি আদর্শ।
তিনি কলকাতার হাজারো তরুণ-তরুণী অনুপ্রেরণা।
শৈশবে উনার বাবা ‘লিউকিমিয়া’ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
বাবাকে চিকিৎসা করানোর মতো অর্থ বা সামর্থ্য তাদের ছিলোনা।
বাবাই ছিলো তাদের সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাই বাবার মৃত্যুর পর তাদের নুন আনতে পান্তা ফুরাতো।
যদিও নানার বাড়ির দিকে বেশ ধনাঢ্য ছিলো কিন্তু আত্মসম্মানের ভয়ে উনার মা নানার বাড়ির কোনো সাহায্য নেননি। একটি সেলাই মেশিন দিয়ে তার মা জীবিকার তাগিদ মেটাতেন।
কিন্তু এক বেলা খেলে অন্য বেলে খেতে পারতেন না।
পরিবারের তিন সদস্য নিয়ে তাদের সংসার মা ছোট ভাই এবং তিনি।
সংসারের দুরাবস্থা দেখে পাঁচ বছর বয়সে তিনি একটি ছোটখাটো রেস্তরাঁয় প্লেট পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন, দিন প্রতি পনেরো টাকা মাইনেতে, পাশাপাশি পড়াশোনাও করেন। এভাবেই দিন কাটাতে লাগলেন।
মাধ্যমিক পার করে বাড়ি গিয়ে-গিয়ে টিউশনি শুরু করেন সাথে একটি এনজিওতে জবও পান। একদিন কোনো এক ছাত্রের বাড়ি পড়াতে গিয়ে এক শাড়ির কারখানার সন্ধান পান।
কর্তার কাছ থেকে শাড়ি পাইকারি দরে কিনে কালিঘাট সহ বিভিন্ন কাপড়ের দোকানে ৩০ টাকা লাভে শাড়ি সরবরাহ করতে শুরু করেন।
প্রথম দিন ১০০ পিছ শাড়ি ৩০ টাকা লাভে সেল করে ৩ হাজার টাকা উপার্জন করেন। সেই থেকেই শুরু হয় ব্যবসা জীবনের পথ চলা। এদিকে কলকাতা ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যবসার উপর তিনি ডি.বি.এ. ডক্টরেট করেন।
সময়ের সাথে সাথে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে আজ কলকাতার দশজন টপ রেংকিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে তিনি তৃতীয়। দেশ বিদেশে বিস্তার করে আছে উনার ব্যবসা।
তিনি ‘ফোমান গ্রুপ অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড’ কোম্পানীর প্রতিষ্ঠাতা। আর উনার ছোট ভাই অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ইউনিভার্সিটির হিস্ট্রি লেকচারার।
উনার সম্পত্তির পরিমাণ এতো যে প্রতি বছর ১৮০ কোটি রুপি সরকারি ট্যাক্স দিতে হয়। বলা হয় উনি যে মাঁটিতে পা রাখেন সেই মাঁটিই নাকি সোনাতে রূপ নেয়।
প্রতি বছর ৭ শতো থেকে ১ হাজার কোটি ইন্ডিয়ান রুপি উপার্জন করেন।
হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক তিনি। সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক নেতাদের মহাশয় মহাশয় করে আর রাজনৈতিক নেতারা উনাকে মহাশয় মহাশয় করে।
উনি দলীয় ও বিরোধীদলীয় সবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর জাগ্রত রাখেন। দেশ থেকে বিদেশি মিনিস্ট্রি অব্দি উনার প্রভাব।
এখন প্রশ্ন হতে পারে এতো পাওয়ার এবং অর্থ দিয়ে তিনি কি করেন?
উনি পাঁচটি আশ্রম পরিচালনা করেন, তিনটি বৃদ্ধা আশ্রম দুটি শিশু আশ্রম। বিভিন্ন জায়গায় উনার দশটি স্কুল আছে। যেখা‌নে সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা বিনা মূল্যে পড়াশোনা করে।
শিলিগুড়িতে উনার বাবার নামে একটি হাসপাতাল আছে, যেখানে বিনা মূল্যে গরিব দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা দেন। মাসজিদ থেকে মন্দির সব উন্নয়ন মূলক কাজে উনার অগ্রসর সবার আগে।
এইবার আম্ফানে রাজ্যের মন্ত্রণালয়ে ১০০ কোটি অর্থ অনুদান করেন।
শত শত দরিদ্র অসহায় মানুষের মাথার ছাদ তিনি। হাজারো তরুণ তরুনীর কর্মসংস্থা করে দিয়েছেন। বিভিন্ন গনমাধ্যাম চাইলেও তিনি গনমাধ্যমে আসতে চাননা। নিজের মতো করে অসহায় মানুষদের মাঝে মানবতার হাত বাড়িয়ে দেন।
এ জাতীয় আরো খবর
আমাদের ফেইসবুক পেইজ