বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:২৯ অপরাহ্ন বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন। বাগেরহাটের রামপালে রাজনগর ইউপি’র নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত বেলাবতে প্রকল্প অবহিতকরণ সভার আয়োজন নড়াইলে ফল ব্যবসায়ী  কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা গৃহপালিত একটি মুরগী হঠাৎ করেই মোরগে রুপান্তরিত হয়ে গেছে বগুড়া ধুনটে হ্যান্ডমাইক নিয়ে রাস্তায় নেমে এলেন মেয়র নিজেই অবৈধ বালু কাটায়  কুয়াকাটা সৈকত।। নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে উপকূলের জেলেরা রামপালের ফয়লাহাট থেকে র‌্যাবের হাতে কথিত জ্বীনের বাদশা প্রতারক চক্রের সদস্য আটক দক্ষিণের পায়রা সেতু’ উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে সৃষ্টি হলো নতুন ইতিহাস। বিলুপ্ত হলো ফেরী পাড়াপাড়
নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭২৬ ০৫ ০৫ ০৮
বাউফলের সেই কিশোরী বধূ নাজমিনের স্বামীকে অপহরণের পর নির্যাতনের অভিযোগ
/ ১৪০ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১, ৪:৩১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক::পটুয়াখালীর বাউফলে কিশোরী বধূ নাজমিনের স্বামী রমজানকে অপহরনের পর আটকে রেখে দফায় দফায় নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৯ জুন কনকদিয়া ইউনিয়নের চুনারপুল এলাকা থেকে চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদারের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সিজান নামের এক যুবক রমজানকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে পটুয়াখালী শহরের একটি বাসায় নিয়ে আটকে রাখে। ৩ জুলাই শনিবার ভোরে কৌশলে রমজান ওই বাসা থেকে পালিয়ে আসে।
রমজান সাংবাদিকদের বলেন, আমার ভাই চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করছে। ওই মামলায় আমি যেন সাক্ষ্য না দেই তার জন্য চেয়ারম্যানের নির্দেশে আমাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা হয়। ৪দিন আটকে রেখে আমার উপর অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছে। কিল ঘুষি মেরে আমার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। ওই স্বীকারোক্তি ভিডিও করা হয়েছে। এছাড়াও কয়েকটি কাগজে আমার কাছ থেকে জোড়পূর্বক সই নেয়া হয়েছে। আমাকে আটকে রাখার সময় সেজানের মুঠোফোনে কল দিয়ে চেয়ারম্যান শাহিন আমার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে বলেন, তুই এখন আমার নিয়ন্ত্রনে, প্রাণে বাঁচতে হলে সেজান যা বলে তাই কর। রমজান বলেন, বর্তমানে আমি বগা বন্দরে আমার ভাইয়ের কাছে আছি। আমি খুবই অসুস্থ। রমজানের বড় ভাই মামলার বাদী আল ইমরান বলেন, চেয়ারম্যান মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছে।
এদিকে চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারের ড্রাইভার রুবেলের হাতে একটি পিস্তল থাকার ছবি নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে। সম্প্রতি হাতে একটি পিস্তল নিয়ে ছবি তোলেন রুবেল। চেয়ারম্যানের বিয়ের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পিস্তল নিয়ে ছবি তোলার বিষয়টি আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কনকদিয়া ইউনিয়নের এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, পিস্তলের ভয় দেখিয়ে চেয়ারম্যান ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে।
তবে রুবেল দাবী করেন, পিস্তলটি খেলনা, আসল নয়। রমজানকে অপহরণের বিষয়টি অস্বীকার করে চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার বলেন, আমি যা বলার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে বলেছি। এখন আমার কিছুই বলার নেই। আর আমার কোন ড্রাইভার নেই।
বাউফল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন বলেন, ছবিতে পিস্তলটি খেলনা মনে হয়। তবে তদন্ত করে পিস্তলের রহস্য বের করা হবে।
প্রসঙ্গত অন্যের কিশোরী বধূকে প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ে করে আলোচনায় আসেন বাউফলের কনকদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার। বিষয়টি নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় হওয়ার পর চেয়ারম্যানকে সাময়িকভাবে বরাখাস্ত করা হয়। বিয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কনকদিয়া ও নাজিরপুর ইউনিয়নের দুই কাজী এখনও বহাল তবিয়তে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ জাতীয় আরো খবর
আমাদের ফেইসবুক পেইজ