রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর ৪২০ ফেন্সিডিল সহ র‍্যাব-৫ এর হাতে আটক। ছেলে কে ভর্তি করাতে এসে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল পিতার। রামপালে বাঁশতলী ইউনিয়নে সূধী সমাবেশ পিরোজপুরের দীর্ঘায় ছাত্র ইউনিয়নের নতুন কমিটি বাকেরগঞ্জে দেশী প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষন ও উন্নয়ন,  উদ্বুদ্ধকরন সভা অনুষ্ঠিত বরিশালে স্বামী হত্যায় স্ত্রীসহ দুজেনর যাবজ্জীবন কারাদন্ড খাবারের সাথে খেলনা টাকা শিশুদের বিপদগামী করতে পারে। কলাপাড়ায় ঋন খেলাপীর দায়ে ১চেয়ারম্যান সহ ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল।। পৃষ্ঠপোষকতা পেলে পুনরায় স্কুলমুখী হবে সীমা বাঘায় নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীগনের মনোনয়নপত্র দাখিল।
নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭২৬ ০৫ ০৫ ০৮
কঠোর লগডাউনে ফোন পেয়ে ডাক্তার নিয়ে খেয়াঘাটে কলাপাড়ার ইউএনও।।
/ ১০৩ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২ জুলাই, ২০২১, ১:০৫ অপরাহ্ন
কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। করোনা সংক্রমন বিস্তার রোধে সারা দেশের ন্যায় পটুয়াখালীর কলাপাড়াতে চলছে কঠোর লকডাউন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে উপজেলা শহরের সকল ধরনের দোকানপাট ও ইঞ্জিনচালিত যানবাহন। বাজারেও মানুষের তেমন উপস্থিতি লক্ষ করা যায়নি। প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতা ছিলো চোখে পরার মত। বিনা কারনে ঘরের বাইরে বের হলেই করা হচ্ছে জরিমানা আদায়। তবে এখন পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়নি মাছ ও সবজি বাজার।
সরেজমিনে বালিয়াতলী খেয়াঘাট গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বালিয়াতলী থেকে আসা এক অসুস্থ শিশুকে দেখার জন্য ডাক্তার গোলাম মর্তুজাকে নিয়ে হাজির হয়েছেন। তিনি ঐ রোগীকে বালিয়াতলী খেয়া পার করে ডাক্তার দেখিয়ে পুনরায় বাড়ি পাঠিয়ে দেন। এবং সবাইকে বাড়িতে থাকার অনুরোধ জানান।
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, কলাপাড়ার পরিস্থিতি খুব খারাপ অবস্থায় আছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। কলাপাড়া উপজেলা এবং মহিপুর থানার জন্য দুই প্লাটুন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও বিজিবি এবং আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছে। আমি এবং সহকারী কমিশনার ভূমি’র নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৩ জনকে এবং শুক্রবার ১৩ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুহাসনাত মো. শহীদুল হক জানান, এক শিশু রোগীর বাবা ফোন করলে ডাক্তার মর্তুজাকে নিয়ে গিয়েছিলাম। চিকিৎসা দিয়ে তাকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সর্বাত্মক লকডাউন পালনে উপজেলার সকল বাজার, খেয়া, এবং মসজিদের ইমামদের সাথে কথা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আমার কাছে এক টন চাল রিজার্ভ রয়েছে যদি কারো খাবার অভাব থেকে থাকে তবে আপনারা জানাবেন খাবার পৌঁছে দিবো।
এ জাতীয় আরো খবর
আমাদের ফেইসবুক পেইজ